নবম শ্রেণি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট |৬ষ্ঠ সপ্তাহ |Class 9 history assignment answer

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম দশম শ্রেণি এসাইনমেন্ট ৬ষ্ঠ সপ্তাহ Class 9 history assignment answer

নবম শ্রেণি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট |৬ষ্ঠ সপ্তাহ |Class 9 history assignment answer: সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, টিপস সেন্টারে সবাইকে স্বাগতম, আশা করছি সবাই ভালো আছো। তোমরা কি নবম শ্রেণির ৬ষ্ঠ সপ্তাহের আইসিটি, পদার্থ, ইতিহাস ও হিসাব বিজ্ঞানএসাইনমেন্ট এর সম্পর্কে ধারণা নিতে চাচ্ছো? কিংবা এসাইনমেন্টটি কিভাবে প্রস্তুত করতে হয় সে সম্পর্কে জানতে আগ্রহী? তাহলে বলবো তোমরা ঠিক ওয়েবসাইটে এসেছো। তোমরা এই পোষ্টটি অনুসরণ করে বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম দশম শ্রেণি এসাইনমেন্ট এর উত্তর পাবে । ইতিহাস এর নিচে আইসিটি, পদার্থ, হিসাব বিজ্ঞান এসাইনমেন্টএর লিঙ্ক দেয়া থাকবে

এছাড়াও তোমরা আমাদের সাইটে ৯ম শ্রেনির সকল এ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন ও উত্তর পাবে। পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে আপনার বন্ধু বা প্রিয়জনকে দেখার সুযোগ করে দিন।

নবম শ্রেণি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট |৬ষ্ঠ সপ্তাহ |Class 9 history assignment answer


বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম দশম শ্রেণি এসাইনমেন্ট

৯ম শ্রেণির ৬ষ্ঠ সপ্তাহের ইতিহাস অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর | class 9 history assignment answer

নবম শ্রেণি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট |৬ষ্ঠ সপ্তাহ |Class 9 history assignment answer

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম শ্রেণি এসাইনমেন্ট এর উত্তর

 ০৭ জুন, ২০২১ খ্রিঃ
প্রধান শিক্ষক
লোহাকুচি উচ্চ বিদ্যালয়
কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।
বিষয় : বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার অবদান ও আর্থসামাজিক অবস্থার
সূত্র : গ.উ.বি/১২৮/২০২১ তারিখ : ০৩ জুন, ২০২১ খ্রিঃ

’’বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার অবদান ও আর্থসামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন’’

ভূমিকা: আদিম যুগের মানুষ কৃষিকাজ জানো না। বনের ফলমূল খেয়ে তারা জীবন ধারণ করতো। পরবর্তীতে কৃষিভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুরনো পাথরের যুগ শেষ হয়ে মানুষের যাযাবর জীবন অবসান ঘটে। বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতির পিছনে মানুষ যুগ যুগ ধরে পরিশ্রম করে গেছে। বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতি সাধনের পিছনে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার অবদান অনেক। 

মিশরীয় সভ্যতার অবদান: মিশরীয় সভ্যতা উত্তর আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলের একটি প্রাচীন সভ্যতা। প্রাচীন দেশ মিশরে  খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৩২০০ অব্দ পর্যন্ত নীল নদের নিম্নভূমি অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে। মিশর প্রাচীন সভ্যতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে মিশরীয় সভ্যতা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। প্রাচীন বিশ্বসভ্যতায় মিশরীয়দের মত ভাস্কর্যশিল্পে অসাধারণ প্রতিভার ছাড়া আর কেউ রাখতে সক্ষম হয়নি। মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার। নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে। 

মিশরের আর্থসামাজিক অবস্থা: মিশরের অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষি নির্ভর। উৎপাদিত ফসলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল গম, যব,  তুলা, পেঁয়াজ পিচফল। ব্যবসা-বাণিজ্যে মিশর ছিল অগ্রগামী। মিশরে উৎপাদিত পণ্য অন্য দেশে রপ্তানি হতো। বিভিন্ন দেশ থেকে মিশরীয় স্বর্ণ-রৌপ্য  ইত্যাদি আমদানি করত। মিশর নীলনদের দান। নীলনদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতো। নীলনদে জমে থাকা পলিমাটিতে জন্মাতো নানা ধরনের ফসল। তারা পিরামিড তৈরিতে পটু ছিল। 

সিন্ধু সভ্যতার অবদান সিন্ধু নদের অববাহিকায় অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা। পন্ডিতের মতে খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ পর্যন্ত সিন্ধু সভ্যতার উত্থান পতনের কাল। সভ্যতার ইতিহাসে সিন্ধু সভ্যতার একটি পরিকল্পিত নগরী ধারণা দিয়েছে। সিন্ধু সভ্যতার যুগে মানুষ সমাজবদ্ধ পরিবেশে বাস করত।

সিন্ধু সভ্যতার অদিবাসীরা উন্নত ধরনের নাগরিক সভ্যতায় অভ্যস্ত ছিল। রাস্তাঘাট পাকা আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হতো। বাড়ির সামনে বিশাল খালি জায়গা রাখা হত। নিরাপত্তার জন্য শহরে সৈন্য মোতায়েন থাকত। সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল। তারা দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও জানতো। ভাস্কর্য শিল্পে সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের দক্ষতা ছিল। তারা ধর্মীয় ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রয়োজনে সিল ব্যবহার করত।

সিন্ধু সভ্যতার আর্থসামাজিক অবস্থা সিন্ধু সভ্যতার অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষি নির্ভর। তাছাড়া অর্থনীতির আর একটি বড় দিক ছিল পশুপালন ও বাণিজ্য। কৃষি ও পশুপালনের পাশাপাশি মৃৎপাত্র নির্মাণ, ধাতুশিল্প, বয়নশিল্প, অলংকার নির্মাণ, পাথরের কাজ ইত্যাদিতেও তারা যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। এই উন্নতমানের শিল্প পণ্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সিন্ধু সভ্যতার বণিকরা বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক যােগাযােগ রক্ষা করে চলত। বণিকদের সাথে আফগানিস্তান, বেলুচিস্তান, মধ্য এশিয়া, পারস্য, মেসােপটেমিয়া, দক্ষিণ ভারত, রাজপুতনা, গুজরাট প্রভৃতি অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক যােগাযােগ ছিল।

প্রতিবেদকের নাম : মো:সোলায়মান খাঁন
প্রতিবেদনের ধরন : প্রাতিষ্ঠানিক
প্রতিবেদনের শিরোনাম : বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার অবদান ও আর্থসামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন’।
প্রতিবেদন তৈরির স্থান : কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।
তারিখ : ০৭.০৬.২০২১ খ্রিঃ

বি:দ্র- তোমার নিজের নাম ও বিদ্যালয়ের নাম দিতে হবে।

তোমরা যাহা লিখে সার্চ করে এই পোষ্ট টি পেয়েছ:–

ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট ক্লাস নাইন,
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট এর উত্তর, ৯ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট,
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি এসাইনমেন্ট, এসাইনমেন্ট নবম শ্রেণি ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,
ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, history of bangladesh assignment answer class 9, class 9 assignment history of bangladesh, assignment on history of bangladesh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here